বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
সিএন্ডএফ এজেন্টস নির্বাচনে সম্মিলিত-সমমনা ঐক্যজোটের আত্বপ্রকাশ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন উপলক্ষ্যে চসিকের “ওরিয়েন্টশন ও পরিকল্পনা সভা” চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এত আঘাতের পরেও খালেদাকে সুযোগ দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর জাহাজ ‘তুলসা’ ভিড়লো চট্টগ্রাম বন্দরে আবরার হত্যা: ২০ জনের ফাঁসি, ৫ জনের যাবজ্জীবন প্রতিবন্ধীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে নগরীতে ভূমিকম্প সহনীয় আবাসন নির্মাণ করার আহবান মেয়রের নগরীতে এবার ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ ১০ বছরের শিশু একজনের ৫টির বেশি সিম নয়: সংসদীয় কমিটি

মুক্তিযুদ্ধার তিন সন্তানকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে এলাকাছাড়া করার অভিযোগ

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালীতে সংগঠিত একটি মিথ্যা হত্যা মামলায় অন্য ইউনিয়নের মুক্তিযুদ্ধা কলিম উল্লাহ তিন সন্তানসহ ১০ জন নিরহ মানুষকে আসামি করে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ ।
আজ রবিবার সকালে চেট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্য সেলিনা বেগম এই অভিযোগ করেন।।
লিখিত বক্তব্যে সেলিনা বেগম বলেন-আমার স্বামী তার দুই ভাই , আমার স্বামী মনিরুল আলম , পিতা- বীরমুক্তিযোদ্ধা কলিম উল্লাহ , সাং গুনাগরি , বাঁশখালী চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম শহরের একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী । তার দুই ভাই চট্টগ্রাম শহরে চাকুরিজীবী । গত ১২ ই মে ২০২০ ইং বাঁশখালী উপজেলাধীন ২ নং সাধনপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে সাদেক আলীর বাড়ীতে জায়গা জমির বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষের আনিসকে নিহত জহির ড্রাইভার সহ তার পরিবারের লোকজন আতর্কিত হামলা করার সময় জহির ড্রাইভার নিহত হয় । ঘটনার তিনদিনপর বাঁশখালী থানায় দায়েরকৃত বাঁশখালী থানার ২৩ ( ৫ ) ২০২০ নম্বর মামলায় আমার স্বামী মনিরুল আলম , তার ভাই নেজাম উদ্দিন , শহিদুল আলম ও প্রতিবেশি আইনজীবী মোহাম্মদ ইয়াসিন তার ভাই মহিউদ্দিন হাসান , সরকারি কৃষি কর্মকর্তা নূরউল্লাহ , মোস্তফা , রাশেদ , মুবিন ও কালু দশজন নিরহ মানুষসহ ২৩ জনকে আসামী করা হয় । তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় নিজেদের বাড়ির পাশে অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে আহত জহির ড্রাইভারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় । যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত । প্রকৃতপক্ষে আমার স্বামী , তার ভাই ও প্রতিবেশি নিরহ আসামীগনের বাড়ি ঘটনাস্থল সাধনপুর ইউনিয়ন থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণের কালিপুর ইউনিয়নে । ঘটনাস্থলে নিহত জহির ড্রাইভারের মরদেহ উত্তরের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে না নিয়ে নিরহ মানুষদের ফাঁসানার জন্য দক্ষিণের গুনাগরি এলাকায় নিয়ে অভিযুক্ত আসামীদের ঘরের সামনের মহাসড়ক দিয়ে সিএনজি অটো রিক্সাতে করে বাঁশখালী মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সাজানো হয়। নিহত জহির ড্রাইভারকে বাঁশখালী মা ও শিশু হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলা হলেও তাকে হাসপাতালে ভর্তি বা কোন ডাক্তারকে দেখানো হয়নি । হাসপাতালের সামনে নিহত ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় নিয়ে উক্ত মা ও শিশু হাসপাতালের সামনে প্রতিক্ষারত অ্যাম্বুলেন্সে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় । পরের দিন থানায় দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করা হয় , আহত জহির ড্রাইভারকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসার সময় নেজামের বাড়ির সামনে দ্বিতীয় দফা অ্যাম্বুলেন্সে হামলা করে আহত জহির ড্রাইভারকে হত্যা করা হয় বলে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয় । বিনাদোষে নিরিহ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের আসামী করা হয় । অথচ নিহত জহির ড্রাইভার ও তার পরিবারের সাথে আমার স্বামী ও দেবরদের কোন ধরনের পূর্ব শত্রুতা নাই এবং ছিলনা । ৩য় পক্ষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে গরীব জহির ড্রাইভার পরিবারকে ব্যবহার করে মিথ্যা এজাহার তৈরি করে বাদীকে মিথ্যা প্ররোচনা দিয়ে আমার স্বামীসহ নিরপরাধ কালিপুরের উচ্চ শিক্ষিত লোকদেরকে আসামী করা হয়েছে। এমতাবস্হায় পরিবারের উপার্জনক্ষম আমার স্বামী ও তার দুই ভাইসহ একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা মামলার আসামী করায় তারা ব্যবসা ও চাকরি করতে পারছে না । বীর মুক্তিযোদ্ধা কলিমুল্লাহ তিন সস্তান একটি সাজানো মিথ্যা মামলার পুরো পরিবারটি অসহায় । আমরাও চাই জহির ড্রাইভার হত্যা মালমার প্রকৃত আসামীদের সাজা হোক নিরাপরাধ মানুষ সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে নিরাপরাধ প্রমাণ হোক ।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্হিত ছিলেন- ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষে আব্দুল মালেক, মোহাম্মদ ইসহাক, রাজিয়া সুলতানা, নিজাম উদ্দিন, নিহত জহির ড্রাইভারকে হাসপাতালে নিতে পরিবহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার পারভেজ প্রমূখ।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com