সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল

বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণের হার। চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোর করোনা ওয়ার্ডে সিট খালি না থাকায় রোগী ভর্তির কোনো সুযোগ নেই। সব হাসপাতালেই করোনা আক্রান্তদের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে ডাক্তার ও সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। নতুন করোনা ইউনিটও করতে হচ্ছে হাসপাতালে। তবে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ক্রমেই করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামেও প্রায় সব হাসপাতালেই আইসিইউ শয্যা পরিপূর্ণ। অন্তত দুই সপ্তাহ ধরে এই সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বেড়ে গেছে আইসিইউ শয্যা সংকটও। করোনাকালীন এই দুঃসময়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর সর্বস্তরের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগরের ও আর নিজাম রোড জিইসি, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি পূর্ব পাশে স্থাপিত বেসরকারী হাসপাতাল এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টি সেন্টার এই প্রতিষ্ঠানটি পথচলার শুরু হইতে অদ্যবদি স্বল্প খরচে সুনাম ও সফলতার সহিত সেবা পরিচালনা করে আসতেছে । বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে অভিজ্ঞ চিকিৎসক নার্স দ্বারা রোগীদেরকে সর্বোত্তম সেবা প্রধানসহ সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ ডিজিটাল মেশিনে সকল প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট প্রদানের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে আসতেছেন । বেসরকারী এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট রোগীর স্বজনরা। রাউজান থেকে আসা স্বপ্নাশীল নামের এক ভর্তি রুগীর স্বজন জানান, অক্সিজেন সিচুরেশন আশঙ্কাজনকভাবে কমতে থাকায় সন্ধ্যা থেকে পাগলের মতো চট্টগ্রামমের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চষে বেড়ান একটি আইসিইউ সিট পাওয়া যায়নি। রাত ১.৩০ মিনিটে এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার আমাদের রুগী ভর্তি নিয়ে দ্রুত চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছে। আমার রুগী যখন ভর্তি হচ্ছি তখন অক্সিজেন লেভেল পায় ৩৫ চিকিৎসা চালানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পেশেন্ট এর স্যাসুলেশন দাড়ায় ৮৮, আমার রগী এখন সুস্থ । আমরা হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে বাড়ীতে চলে যাবো। করোনাকালীন সময়ে সর্বোত্তম ২৪ ঘন্টা (আইসিইউ) ও করোনা কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) সব সেবা দিয়ে রোগীদের পাশে আছেন বেসরকারী এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার জেনারেল ম্যানেজার মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, জীবনে ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীদের সেবার কার্যক্রম নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে দিয়ে যাচ্ছি আমরা, গত কয়েক দিন যাবত পেশেন্ট বৃদ্ধি হওয়ার পর ও আমরা পিরিয়ে দিইনি কোনো মুমূর্ষু রুগীকে, চেষ্টা করেছি যতটুকু সক্ষমতা আছে তা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি দিন রাত্র, করোনাকালীন এই ক্লান্তিলগ্নে স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে সবসময় চট্টগ্রাম বাসীর পাশে থাকব এটাই প্রত্যাশা আমাদের । বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন, সংক্রমণ বাড়ার ধারা অব্যাহত থাকলে সামনে বিনা চিকিৎসায় রোগী মারা যাবেন। এতে শুধু আইসিইউ সংকট নয়, করোনা রোগীও বাড়তে থাকায় সাধারণ শয্যায়ও পড়েছে সংকটে। কয়েক দিন ধরেই করোনা রোগীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভর্তি হচ্ছে সাধারণ রোগীও।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com