শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:০১ পূর্বাহ্ন

ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে সরকারের উন্নয়ন কমকান্ড বাধাগ্রস্থ হবে

রিটকারী আইনজীবী সমগ্র বাংলাদেশকে ইটভাটা আইনের আওতায় না এনে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।তাই  স্বাভাবিকভাবে অনুমান করা যায যে এটি একটি  ষড়যন্ত্র।  এবং  ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে সরকারের উন্নয়ন কমকান্ড বাধাগ্রস্থ হবে।   

আজ  শনিবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি    আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফটিকছড়ির  নবনির্বাচিত মেয়র ইসমাইল হোসেন এই অভিযোগ করেন।    তিনি অভিযোগ করেন.   বর্তমান সরকারের  উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অধিকাংশ চট্টগ্রাম অঞ্চলে। তাই ষড়যন্ত্রকারীরা এইসব প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে. প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ও সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান ইট সংকট তৈরি কি করতে ইটভাটাকে টার্গেট করেছেন। ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগে  সফল হলে দেশের চলমান উন্নয়ন ব্যাহত হবে ও সরকার  ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই চলমান উচ্ছেদ অভিযান বন্ধে  প্রধানমন্ত্রী.স্থানীয় এমপি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।  তিনি বলেন. ইট প্রস্তুত ও ইটভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ এবং পরে ২০১৬ সালে সংশোধিত খসড়া  আইনে বৈধ লাইসেন্স এর মধ্যেমে ইটভাটার  পরিচালনা করে যাচ্ছি। পরিবেশ বিপর্যয় রক্ষায় সরকার ও দেশের  প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেছি। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি সিদ্ধান্ত  মেনে চলতে  আমরা সর্বদা অঙ্গিকারবদ্ধ।  চট্টগ্রামের ইটভাটা হতে বছর সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব গ্রহণ করছেন। যাহা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভুমিকা রাখছে। উন্নয়ন কাজে রেট  সিডিউলে ইটের যে মূল্য নির্ধারণ করা হয় তা আমাদের  উৎপাদিত আমাদের ইট ভাটার ইট।  বর্তমান চলমান পরিস্থিতিতে ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেল অবকাঠামোগত উন্নয়নে মহাসঙ্কটের   তৈরি হবে।

তিনি বলেন. , প্রতিটি ইটভাটায় ৭শত থেকে ৮শত জন শ্রমিক  কাজ করেন। শ্রমিকের মজুরি ইটভাটা মালিক কাজ আরম্ভ হওয়ার আগে অর্থাৎ অগ্রিম প্রদান করেন।  ইটভাটার মালিকগণ  ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ও  জমিজমা বন্ধক রেখে  এই টাকা সংগ্রহ করে । আর্থিক মূলধন ২ কোটি টাকার উপর হবে। টাকা লগ্নি করার পর যদি  একজন ইটভাটার মালিক  স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা করতে না পারেন  পথের ভিখারী হয়ে যাবেন । তেমনি ৭/৮শত শ্রমিকের পরিবারকে পড়তে হবে  চরম সংকটে।  ইট ভাটার ব্যবসা বন্ধের ষড়যন্ত্র রুখতে কর্তৃপক্ষের   হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অনির্দিষ্টকালের জন্য ইট বিক্রি বন্ধসহ প্রতিবাদ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রেরণ ও ১ মার্চ চট্টগ্রাম জেলার ইটভাটা শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে মানববন্ধন ।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক,শহিদ উল্লাহ  রণি, আব্দুল  আজিজুল হক কোম্পানি রাউজান, ইমরান হোসেন চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া ,আনোয়ার কোম্পানি   হাটহাজারী, ফরিদুল আলম  সাতকানিয়া, আবিদ হোসেন লোহাগাড়া, জয়নাল আবেদীন ঝন্টু বাঁশখালী ,আব্দুর রহিম বাদশা চন্দনাইশ ,সাইফুল ইসলাম খোকা মিরেশ্বরাই জহির আহমেদ কর্ণফুলী।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com