শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা সৈনিক ও শহীদদের প্রতি চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

১৯৫২ সালের এই দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরও অনেকে। এই দিনে বাংলা ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি বাংলাভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল ভাষাসৈনিককে। যাদের দূরদর্শী ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের মা, মাটি ও মানুষের অস্তিত্ব রক্ষা হয়েছে। করোনা মহামারির কারনে প্রতিটি সরকারে আদেশ অনুজায়ী ৫ জন করে পস্পমাল্য অর্পন করে । এই সময় উপস্থিত ছিলো চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো নুরুন নবী সাহেদ। সাধারন সম্পাদক শহিদুল আলম শহিদ, সহ সভাপতি আবু সাইদ মুন্না, চান্দগাও থানা ছাত্রলীগ নেতা নুর মোহাম্মাদ সানি, লুৎফা আজিম রেনেসা, আফতাফ উদ্দীন তাহসিন, ইসতিয়াক ইসলাম ইমন সহ নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর জাতীয় জীবনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম। একুশ মানেই হলো- পরাশক্তির কাছে মাথা নত না করা। একুশ একটি বিদ্রোহ, বিপ্লব ও সংগ্রামের নাম। ‘একুশ’ হল মায়ের ভাষায় ভাষায় কথা বলার জন্য রাজপথ কাপানো মিছিল, শ্লোগান, আন্দোলনে মুখরিত একটি মুহূর্ত। এই দিনে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা তাদের বুকের তাজা রক্তে পিচ ঢালা রাজপথে সিক্ত করে মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার কে আদায় করেছে পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীয় কবল থেকে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রæয়ারি এদেশের জাতীয় জীবনে একটি স্মরণীয় ও তাৎপর্যবহ দিন। আর একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্রীয় করেই বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং শোষণ ও পরাধীনতার শৃংখল থেকে মুক্ত হয় এদেশ ও জাতি।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com