বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

নির্বাচন যেভাবেই হোক আমরা মাঠ ছেড়ে যাবো না – ডা: শাহাদাত 

চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা: শাহাদাত হোসেন নির্বাচনের আগের দিন আজ মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারী) কর্মব্যাস্ত দিন অতিবাহিত করেন। তিনি আগামীকাল বুধবার সকালে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে নগরীর বাকলিয়া বিএড কলেজ কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে নিজের ভোট দেবেন।
এদিকে ডা: শাহাদাত হোসেন সকাল থেকে নিজ বাসায় আসা বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীদের নির্বাচনী বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। পরে দুপুরে নেতাকর্মী ও এজেন্টদের গ্রেফতারে বিষয়ে অভিযোগ দিতে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে ডা: শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক শান্তি প্রিয় দল। আমাদের আস্থা জনগণের উপর, আর জনগণের আস্থা ধানের শীষের উপর, তাই সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হব। তিনি বলেন একটি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং জনগনের ভোটের প্রতি আগ্রহী করে কেন্দ্রে নেয়ার জন্য আমরা গত ৩ মাস যাবত মানুষকে সচেতন করেছি। কিন্তু নির্বাচনের আগমূহুর্তে বহিরাগত সন্ত্রাসী, মাস্তান ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে ভোট কেন্দ্র দখলে পরিকল্পনা করছে। প্রশাসনের অতি উৎসাহী পুলিশ কর্মকর্তা নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য দলীয় নেতাকর্মী এবং আমাদের এজেন্টদের গ্রেফতার করে হামলা মামলা অব্যাহত রেখে ভোট ডাকাতির চেষ্টা করছে। তবে নির্বাচন যেভাবেই হোক আমরা মাঠ ছেড়ে যাবো না।
চসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির ৫৬ জন এজেন্ট এবং দুই শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের একদিন আগে ৫৬ জন নির্বাচনী এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যেহেতু এজেন্টরা নির্বাচনের একটি অংশ, তাই নির্বাচনী এজেন্টদের ছাড়িয়ে আনতে কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছি। তিনি গ্রেফতারকৃতদের ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে আমাদের আশ^াস দিয়েছেন। আর যদি কমিশন এতে বিফল হয় তাহলে তাদের ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরে আসা উচিত।তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, একটি নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচনে অনুষ্ঠানের জন্য সাংবাদিক এবং মিডিয়ার ভূমিকা অপরিসীম। আগামীকালের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে হয় সে ব্যাপারে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
গ্রেফতারকৃত এজেন্ট ও নেতাকর্মীরা হলেন- কোতোয়ালী থানা মো: ইলিয়াছ মিয়া, মো: শাহীন, আশ্রাফুল ইসলাম অনিক, মো: আলী, মোহাম্মদ কিবরিয়া, মো: মামুন, মোহাম্মদ আনোয়ার, আব্দুর রাজ্জাক, মনজুর, নুর মোহাম্মদ, আমিনুর রহমান মিয়া, আবু নাছির সাজ্জাদ, আউনুর ইসলাম, শহীদুল রনি। আকবর শাহ থানা মো. বেলাল হোসেন, মো. মানিক, দোলেয়ার হোসেন কালা, আবু তাহের, মনির, গোলাপ হোসেন, রাসেল, রাব্বি, মো. শরীফ, তানবীর আলম রুবেল, শাহআলম মনির চৌধুরী মুনমুন। বায়েজিদ থানা জাবেদ ওমর, মনির খসরু, ইলিয়াছ, মহিন, জাহাঙ্গীর, মিজান, মনির হোসেন ভুট্টো, শাকিল, শহিদুল ইসলাম, সৈয়দ জয়নাল, মিলন, মাছুদ, লাবলু, রফিক, মইনু উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, রাতুল, মো: মামুন, মো: করিম, মাসুদ রানা। হালিশহর থানা মো. মুরাদ মনির হোসেন, মনিরুল ইসলাম, চান্দঁগাও থানা পুলিশ মোশররফ হোসেন, ওসমান।পাচঁলাইশ থানা পুলিশ পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে মামুন খন্দকার, মো: হেলাল, কাজী সামশু, শোলকবহর ওর্য়াডের আবু সিদ্দিক। খুলশী থানা জাহিদুল ইসলাম জাবেদ।বাকলিয়া থানা খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ সুজন, মকবুল হোসেন, রেজিয়া বেগম মুন্নি, এমদাদুল ইসলাম সাকিল,কাদের, লাগুন, মিন্টু,শামীম, এরশাদ, নবাব, তকি, রুদ্রর, হোসেন, বাছির আলী, মো: আইয়ূব, খোরশেদ।পাহাড়তলী থানা মো: বেলাল, অপি, ওয়াহিদ।পতেঙ্গা থানা কায়সার আলম, ইকবাল হোসেন, বখতেয়ার উদ্দীন, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল হালিম (ডেভিড), সেলিম সরদার, আলী রাশেদ, আলী হোসেন, আবু, সায়দুজ্জামান রণি।বন্দর থানা মো. আসলাম, শামসুদ্দিন, আরমান শুভ, মো. ইসমাইল, মোঃ আব্বাস, আলী হোসেন মো. আবু, মো. দেওয়ান, । ডবলমুরিং থানা কাইয়ূম রিপন, জাহেদ হোসেন বাবু, জাহিদ হাসান বাবু, কাইয়ূম হোসেন রিপনসহ ইকবাল হোসেন, মো. আব্দুল হালিম সওদাগর, মো. মহসীন।এছাড়া নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি জাকির হোসেন, নূর মোহাম্মদ, আমিনুর রহমান মিয়া, আবু নাসের সাজ্জাদ, আইনুল ইসলাম জুয়েল, শহিদ উল্লাহ রণিসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com