বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
লকডাউনকালীন অসহায় শিশু ও গরীব দুঃস্থদের মাঝে চট্রগ্রাম নাগরিক ঐক্যর পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল আগামী রবি ও বুধবার ব্যাংক বন্ধ আল্লামা মুফতি ইদ্রিছ রেজভীর ইন্তেকাল জাপা নেতা তপন চক্রবর্ত্তীর মৃত্যুতে উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির শোক প্রকাশ চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ১৩১০ জনের, মৃত্যু ১৮ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অ্যামনেস্টির বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অনিয়ম করলে ক্ষমা নেই, কঠোর শাস্তি: প্রধানমন্ত্রী একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ ২৫৮ জনের মৃত্যু নুরুল আবছার চৌধুরীর ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

ইন্দোনেশিয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়াদের আর্তনাদ, জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা

ইন্দোনেশিয়ায় ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে একটি হাসপাতাল, দুইটি হোটেলসহ বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে। বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছেন অনেকে। তাদেরকে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ইন্দোনেশিয়া পশ্চিম সুলাওয়েসিভিত্তিক দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থা জানিয়েছে, এরইমধ্যে ভূমিকম্পে ৩৫ জনের প্রাণহানির ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে তারা। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১ টা নাগাদ সুলায়েসি দ্বীপে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার তীব্রতা ছিল ৬.২। কম্পনের উৎসস্থল ম্যাজিন শহরের উত্তর–পূর্বে ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। এই কম্পনের ২৪ ঘণ্টা আগেও ওই দ্বীপে ৫.৯ মাত্রায় কম্পন অনুভূত হয়েছিল।

ভূমিকম্প ও আফটার শকের কারণে তিনটি ভূমিধস হয়েছে। এর কারণে মাকাসার শহরের মতো আঞ্চলিক হাবগুলো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে যাওয়ার সেতুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পে ৬০টি আবাসিক ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া দুটি হোটেল, প্রাদেশিক গভর্নরের অফিস, শপিং মলেরও ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে মামুজুতে ভেঙে পড়েছে হাসপাতাল। ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকে পড়েছেন রোগী, চিকিৎসক, নার্স সকলেই।

মামুজু শহরের একটি উদ্ধারকারী সংস্থার সদস্য আরিয়ান্তো বলেন, ‘হাসপাতাল ধসে গেছে, বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে এটি। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েছে রোগী ও হাসপাতাল কর্মীরা। আমরা এখন তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছি।’ তবে ঠিক কত সংখ্যক মানুষ চাপা পড়েছেন তা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি তিনি।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী মাজেনিতে ৬৩৭ জন আহত হয়েছে। আর মামুজু শহরে আহতের সংখ্যা ২৪ জন। এখনও কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে ইন্দোনেশিয়ার মিটিওরোলজি অ্যান্ড জিওফিজিক্স এজেন্সি (বিএমকেজি)-এর প্রধান দোয়িকোরিতা কারনাওয়াতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আরও আফটার শক হতে পারে। আরেকটি শক্তিশালী ভুমিকম্প হয়ে সুনামির আশঙ্কাও রয়েছে। তিনি জানান, এরইমধ্যে অন্তত ২৬টি আফটার শক অনুভূত হয়েছে।

‘প্রথম কথা হলো সুনামি কখন হবে তার জন্য অপেক্ষা করে থাকা যাবে না। এটি খুব দ্রুতই ঘটে যায়।’ বলেন কারনাওয়াতি।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অফ ফায়ারে অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্প প্রবণ। ভূমিকম্প ছাড়াও সেখানে অগ্ন্যুৎপাতও হয় মাঝে মধ্যেই। ২০১৮ সালে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পের পরেই সুনামি হয়েছিল সুলাওয়েসির পালুতে। কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল সেই সময়। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ৯.১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়। সেই সময় সুনামির জেরে প্রায় এক লাখ সত্তর হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com