বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
সিএন্ডএফ এজেন্টস নির্বাচনে সম্মিলিত-সমমনা ঐক্যজোটের আত্বপ্রকাশ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন উপলক্ষ্যে চসিকের “ওরিয়েন্টশন ও পরিকল্পনা সভা” চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এত আঘাতের পরেও খালেদাকে সুযোগ দিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর জাহাজ ‘তুলসা’ ভিড়লো চট্টগ্রাম বন্দরে আবরার হত্যা: ২০ জনের ফাঁসি, ৫ জনের যাবজ্জীবন প্রতিবন্ধীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে নগরীতে ভূমিকম্প সহনীয় আবাসন নির্মাণ করার আহবান মেয়রের নগরীতে এবার ড্রেনে পড়ে নিখোঁজ ১০ বছরের শিশু একজনের ৫টির বেশি সিম নয়: সংসদীয় কমিটি

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীর মামলার কাগজ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরাতে বিচারের কাগজপত্র চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস ওয়েলসের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন।

রাশেদ চৌধুরীর বিষয়টি তিনি বৈঠকে তুলেছিলেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলেছি, আমরা আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। কিন্তু আমাদের একটি সমস্যা আছে, রাশেদ চৌধুরী আপনাদের দেশে লুকিয়ে আছে। আমরা তাকে ফেরত চাই।’

‘জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বিচারের নথিপত্র দেন। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব এবং তারপর আপনাদের জানাব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই প্রথম এই বিচার প্রক্রিয়ার বিস্তারিত নথিপত্র চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

তিনি আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। এ সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের পাশে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ভাসানচরের পরিস্থিতি জানতে চেয়েছে। আমরা বলেছি, রোহিঙ্গাক্যাম্পে অনেক ঘনবসতি। পাহাড়ি ঢলসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়। ফলে রোহিঙ্গারা যদি ভাসানচরে যায়, তাহলে তাদেরই ভালো হবে।’

বৈঠকে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, রাজনৈতিক সমাবেশের অধিকার নিয়েও আলাপ হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ১৯৯৮ সালে নিম্ন আদালতের রায়ে অন্য আসামিদের সঙ্গে পলাতক অবস্থায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে উচ্চ আদালত ১২ জন কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয়জনের রায় কার্যকর হলেও রাশেদ চৌধুরীসহ বিদেশে পলাতক অন্যদের দণ্ড কার্যকর হয়নি।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com