মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আনোয়ারা উপজেলায় পিস প্রকল্পের উগ্রবাদ প্রতিহতকরণে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ” বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পুলিশ কমিশনারের সাথে ডা.শাহাদাত হোসেনের সাক্ষাৎ মৎস্যজীবী লীগের স্বীকৃতি প্রদানের ২য় বর্ষপূর্তির আলোচনা সভা চসিক মেয়রের সাথে সিএমপি কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাত খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য বিএনপিই দায়ী ওমিক্রনের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধ হবে না-দীপু মনি বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগ বান্ধব দেশ: আইনমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট বিদেশে পাঠানো হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিডিয়া অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু বিটিভি চট্টগ্রামের ধারাবাহিক ‘জলতরঙ্গ’ চট্টগ্রামে গণপরিবহনে হাফ পাসের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

শিশুকে হাসি-খুশি রাখার ১০টি উপায়

শিশুকে হাসি-খুশি এবং উত্তম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ১০ টি  উপায়:

১। শিশুদের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত না হওয়াঃ
তারা কতটুকু লম্বা হয়েছে এটা নিয়ে এত বেশি চিন্তা না করাই ভালো। বয়স অনুযায়ী তাদের গ্রোথ ঠিক আছে কিনা, সেই দিকে নজর রেখে তাকে পুষ্টিকর খাদ্য দেয়া যেতে পারে, কিন্তু তাদের বুঝতে দেয়া উচিত, তারা যেমন আছে, তেমনটাই ঠিক।

২। লাজুক শিশুকে সমর্থন করাঃ
কিছুটা লাজুক হওয়া এক জিনিস, কিন্তু অনেক শিশু আছে নতুন কোন পরিস্থিতি ফেইস করতে গেলে অনেক বেশি লাজুক হয়ে যায় এবং পিছিয়ে পড়ে। এটা আসলে বহু শিশুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তাই এই লাজুকতা থেকে তাকে বের করে আনার জন্য বেশি জোর না করে তাকে তার মতো থাকতে দেয়াই ভালো। এই একসেপ্টেন্স শিশুর জন্য অনেক, অনেক বড় ব্যাপার।

৩। কঠিন সময়কে সহজ করে তোলাঃ
বড়রা যেমন বেশিরভাগ সময় ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করে, শিশুরা (বিশেষ করে ২-৫ বছর বয়সী) তেমন নয়। তারা কেবল বর্তমানটাকেই বোঝে। তাই সময়গুলোকে তার কাছে সহজ করে দিতে পারলেই সে ভালো থাকবে। যেমন- ৪ বছরের একটি বাচ্চাকে সরাসরি ‘’স্কুলে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে’’ না বলে কিছুটা পরিষ্কার করে সহজ ভঙ্গিতে বলতে পারলে খুব ভালো হয়। বলা যেতে পারে, ‘’আমাদের স্কুলের জন্য বেরুনো দরকার। ইউনিফর্ম পরার সময় হয়ে গেছে।‘’

৪। অনুভূতি প্রকাশে সাহায্য করাঃ
অনেক শিশুই দেখা যায় ভয়, হতাশা, আনন্দ, দুঃখে নিজেদের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারে না। সেক্ষেত্রে অভিভাবক কিছুটা সাহায্য করতে পারে শিশুর মনের অবস্থা বুঝে নিয়ে। যেমন- ‘’বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে? খেলতে যেতে না পেরে খুব মন খারাপ?’’ বা, ‘’খেলনাটা নষ্ট হয়ে গেছে? নতুন চাই?’’ এভাবে পরিবেশ বুঝে তাকে সাহায্য করা যেতে পারে।

৫। মনোযোগ দেয়াঃ
বাবা-মা’র কাছে পূর্ণ মনোযোগই দাবী করে শিশুরা। শিশু যখন বুঝতে পারে অভিভাবক তার প্রতি মনোযোগী নন, তার মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তাই শিশুর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় অন্য কিছুতে এংগেজ না থাকাই ভালো।

৬। ভদ্রতাসূচক শব্দ বলাঃ
শিশুরা অনুকরনপ্রিয় হয়। তাই তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় ‘সরি’, ‘থ্যাঙ্কস’ জাতীয় শব্দগুলো বলার অভ্যাস থাকলে ভালো। বাসে, রাস্তায়, শপিং মলে, কর্মক্ষেত্রে, পরিবারে শিশু যত বেশি ভালো আচরন পাবে, ততই তা নিজেও শিখবে।

৭। নরম সুরে কথা বলাঃ
শিশুদের সঙ্গে চিৎকার করে কথা বলাটা তাদের পছন্দ নয়। এতে তাদের আচরন রুক্ষ্ণ হয়ে পড়ে। এটা এমনকি টিন-এজ শিশুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় যত নরম সুরে বলা যায়, ততোই ভালো।

৮। খুব বেশি শাসন না করাঃ
গবেষনায় দেখা যায়, ২-৫ বছর বয়েসী শিশুদের কর্মকান্ডে অতিমাত্রায় শাসন আরোপ করা বা কাঠিন্য বজায় রাখা বাবা-মায়েরা ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন।

৯। বাবাদের আরও ঘনিষ্ঠ হওয়াঃ
একমাত্র স্তন্যদান ছাড়া শিশুর কাজের মধ্যে বাবার কাজ, মায়ের কাজ বলে আলাদা কিছু নেই। এসব চিরা-চরিত ভাবনা পরিহার করাই ভালো বলে গবেষকরা মনে করেন। ডায়াপার বদলানো, গোসল করানো, মাঝে মাঝে খাওয়ানো, এগুলো তাদের ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ায়।

১০। মজা করাঃ
শিশুদের সঙ্গে মজা করতে পারলে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তারা সৃষ্টিশীল চিন্তায় পারদর্শী হয়, আর বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্কটাও হয় দারুণ বন্ধুত্বপুর্ণ!

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com