বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নিবন্ধন পেল ইলেকশন মোনিটরিং ফোরাম গণতন্ত্র, অগ্রগতি, বিশ্ব নারী জাগরণের প্রতীক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : তথ্যমন্ত্রী ৭৫’র পরবর্তী বাংলাদেশে সৎ, যোগ্য ও সাহসী নেতার নাম শেখ হাসিনা : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা শুধু দেশেই নন, বহির্বিশ্বেও অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক : রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আগামীকাল বন্দর হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেকশনের শূন্যপদে করোনা ইউনিটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পূনবহালের দাবী দুই ব্যবসায়ীকে ৫মাসের কারাদন্ড ১ অক্টোবর থেকে ৫ দিন ব্যাপী দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে বিদেশী পর্যটককে আকৃষ্ট করার মত পরিবেশ উপহার দিতে পারলেই দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে: ড. ইদ্রিস আলী আলীকদমের সেই ইউএনওকে ঢাকা বিভাগে বদলি

চা শ্রমিকদের ঘর করে দেয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

চা শ্রমিকদের ঘর করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মৌলভীবাজারের পাত্রখোলা চা বাগানের শ্রমিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। মতবিনিময়ে প্রথমে শ্রমিকদের কথা শোনেন শেখ হাসিনা। পরে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন। বলেন, যারা শ্রম দেয়, কষ্ট করে তাদের দিকে আমাদের তাকানো দরকার। আমি এটুকু বলতে পারি, আমার বাবা তো কৃষক-শ্রমিক-মানুষের জন্য রাজনীতি করে গেছেন এবং দেশ স্বাধীন করে গেছেন। তার বাংলাদেশে মানুষ কষ্টে থাকবে, এটা হতে পারে না। আমার সাধ্যমতো আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ভূমিহীন থাকবে না। যারা ভূমিহীন তাদের ঘর করা দেয়া হচ্ছে। এটা তো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। ঘাতকের নির্মম বুলেট তাকে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়। তার মেয়ে হিসেবে এটা আমার কর্তব্য, দায়িত্ব। আমরা সেটা করেছি।

চা শ্রমিকদের ব্রিটিশরা এনেছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের (চা শ্রমিক) অমানবিকভাবে কাটাতো, অত্যাচার করতো। বঙ্গবন্ধু টি বোর্ডের চেয়াম্যান হয়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেন। তাদের নাগরিকত্ব দেন। ভোটের অধিকার দেন। কিন্তু ভূমিহীন তো থাকতে পারে না। তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেব। চা শ্রমিকরা অবহেলিত থাকবে, তা হতে পারে না।

উল্লেখ্য, দৈনিক মজুরি বাড়ানোর দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে আন্দোলন করে আসছিলেন দেশের ২৪১টি চা বাগানের সোয়া লাখ শ্রমিক। প্রথম চারদিন শ্রমিকরা প্রতিদিন দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন। এরপর ১৩ আগস্ট থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন শুরু করেন তারা।

দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে টানা ২০ দিন কর্মবিরতি পালন করেন চা শ্রমিকরা। পরে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে গত ২৮ আগস্ট ১৭০ টাকা মজুরিতে কাজে ফেরেন তারা।

তবে চা শ্রমিকরা তাদের সুখ-দুঃখ ও দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার দাবি জানান। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ এ ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com