বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
নিবন্ধন পেল ইলেকশন মোনিটরিং ফোরাম গণতন্ত্র, অগ্রগতি, বিশ্ব নারী জাগরণের প্রতীক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : তথ্যমন্ত্রী ৭৫’র পরবর্তী বাংলাদেশে সৎ, যোগ্য ও সাহসী নেতার নাম শেখ হাসিনা : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনা শুধু দেশেই নন, বহির্বিশ্বেও অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক : রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আগামীকাল বন্দর হাসপাতালসহ বিভিন্ন সেকশনের শূন্যপদে করোনা ইউনিটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পূনবহালের দাবী দুই ব্যবসায়ীকে ৫মাসের কারাদন্ড ১ অক্টোবর থেকে ৫ দিন ব্যাপী দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে বিদেশী পর্যটককে আকৃষ্ট করার মত পরিবেশ উপহার দিতে পারলেই দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে: ড. ইদ্রিস আলী আলীকদমের সেই ইউএনওকে ঢাকা বিভাগে বদলি

চট্টগ্রাম নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে বোমা হামলা, ৫ জেএমবির মৃত্যুদণ্ড

৭ বছর আগে চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেয়ারও আদেশ দিয়েছেন।

বুধবার চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন-নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য এম সাখাওয়াত হোসেন, বলকিপার আবদুল মান্নান ও রমজান আলী, বাবুল রহমান ওরফে রনি এবং জেএমবি সদস্য আবদুল গাফফার। তাদের মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন পলাতক আছেন, বাকিরা রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন দাশ বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ আইনের ৬(২) ধারায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। একই ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া পৃথক অভিযোগের বিচার অন্য আদালতে চলছে।

এর আগে গত ১ আগস্ট এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য বুধবার (১৭ আগস্ট) দিন ধার্য করেন সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের বিচারক আবদুল হালিম।

২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পরে ১০ মিনিটের ব্যবধানে ঘাঁটির ভেতরের দুটি মসজিদে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই মসজিদগুলোতে শুক্রবার স্থানীয়রাও নামাজ পড়তে আসতেন, বিস্ফোরণে সামরিক-বেসামরিক মিলিয়ে ২৪ জন আহত হন। বোমা হামলার নয় মাস পর ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নেভাল প্রভোস্ট মার্শাল কমান্ডার এম আবু সাঈদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনে নগরীর ইপিজেড থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য এম সাখাওয়াত হোসেন, বলকিপার আবদুল মান্নান ও রমজান আলী এবং বাবুল রহমান ওরফে রনিকে আসামি করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ও তদন্তে গ্রেপ্তার মান্নানের বড় ভাই জেএমবি সদস্য আবদুল গাফফারের সম্পৃক্ততায় পায় পুলিশ। জেএমবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়ক রাইসুল ইসলাম খান নোমান ওরফে নাফিস ওরফে ফারদিনের নেতৃত্বে নৌ ঘাঁটির মসজিদে ওই আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয় বলে মামলার এজাহারে বলা হয়।

ফারদিন ২০১৬ সালের ৩ এপ্রিল বগুড়ার শেরপুরে গ্রেনেড বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে নিহত হয় বলে পুলিশ জানায়। এ কারণে তার নাম এ মামলার আসামি তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর ৫ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেয় ইপিজেড থানার পরিদর্শক মুহাম্মদ ওসমান গণি। এদের মধ্যে এক আসামি এম সাখাওয়াত হোসেনও মারা গেছে।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com