শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আহলে বায়াত ও সাহাবাদের প্রতি পূর্ণ আনুগত্যই সুন্নিয়তের মাপকাঠি   সোমবার ৪ দিনের সফরে কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি কারবালার চেতনায় ইনসাফভিত্তিক মানবিক সমাজ গড়তে হবে সময়ের অপেক্ষা, হাসিনার লোকজনও আন্দোলনে চলে আসবে-আমীর খসরু সবচেয়ে বড় রিজিওনাল সিডস ফর দ্যা ফিউচার প্রোগ্রাম উদ্বোধন করলো হুয়াওয়ে শান্তির দেশে সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে -তথ্যমন্ত্রী আট মাসের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম সর্বনিম্ন সাংবাদিক নির্যাতনকারী আইনজীবীদের সনদ বাতিল ও গ্রেফতার দাবি ফিলিস্তিন, মিয়ানমারের দিকে নজর দিন, অগ্নিসন্ত্রাসের শিকারদের কথা শুনুন: তথ্যমন্ত্রী ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যা করলেও ঘাতকেরা তাঁর আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস: মাউশির কর্মকর্তা গ্রেফতার

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চন্দ্র শেখর হালদার ওরফে মিল্টন নামে ওই কর্মকর্তা ৩১তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা।

রবিবার (২৪ জুলাই) রাতে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ সোমবার (২৫ জুলাই) তাকে আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছরের ১৩ মে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) ৫১৩টি পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরীক্ষা চলাকালে ইডেন কলেজ কেন্দ্র থেকে থেকে প্রশ্নপত্রের উত্তরসহ চাকরি প্রার্থী সুমন জোয়ার্দার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তার প্রবেশপত্রের উল্টো পিঠে ৭০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর লেখা ছিল।

পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পটুয়াখালীর খেপুপাড়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। সুমন ও সাইফুলকে একদিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা পরীক্ষার আগেই প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৪ মে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রভাষক রাশেদুল, মাউশির উচ্চমান সহকারী আহসান হাবীব ও অফিস সহকারী নওশাদকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে সেই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে মাউশি।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রটি মাউশি কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর হালদার ওরফে মিল্টন ফাঁস করেছিলেন। তিনি ওই নিয়োগ পরীক্ষার ইডেন কলেজ কেন্দ্র সমন্বয় করার দায়িত্বে ছিলেন। মাউশি কার্যালয় থেকে প্রশ্ন নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার সময় তিনি প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সাইফুলের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চন্দ্র শেখর হালদার ওরফে মিল্টন মাউশিতে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। তারা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বদলি ও এমপিওভুক্তি, পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিবেদন দেওয়াসহ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com