বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মমতার আয়োজনে ৩দিন ব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলা রোহিঙ্গাদের যেতেই হবে : ভোয়া’র সাথে সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্রুত এফটিএ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রনেতা থেকে আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী বিএনপি লাঠির সঙ্গে পতাকা বেধে রাস্তায় নামলে জবাব দেওয়া হবে : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপিত ঋনখেলাপি ব্যবসায়ীসহ স্ত্রীর দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বঙ্গবন্ধু কন্যা আছেন বলেই নিরাপদে ঘুমায় বাংলাদেশ-ইমরান আহাম্মেদ ইমু ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন কভিড থেকে নিরাপদ থাকুন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ : ৮ ব্যক্তিকে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা

চসিক কাউন্সিলর কার্যালয়ে দুই সাংবাদিক অবরুদ্ধ!

চসিক কাউন্সিলর বারেকের অফিসে আটকে রেখে সংবাদিক লাঞ্চিত।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ৪০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল বারেকের ব্যক্তিগত সহকারী সাইফুদ্দিন লিজয় প্রকাশ সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক অবরুদ্ধ করে লাঞ্চিত করার অভিযোগ ওঠেছে।
৯ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকালে স্টিলমিল বাজার পোস্ট অফিস গলি সংলগ্ন কাউন্সিলর আব্দুল বারেকের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি সকালের চট্টগ্রামকে নিশ্চিত করেছেন লাঞ্চিত সাংবাদিক শাহরুখ।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলাধারার দুই সাংবাদিক স্টিলমিল বাজারে প্রতিবেদন করতে আসেন। এসময় দোকানিদের সাথে কথা বলার পর স্টিলমিল বাজারে অস্থায়ী কাউন্সিলর কার্যালয়ে যান। তখন কাউন্সিলরের ব্যক্তিগত সহকারী সাইফুদ্দিন প্রকাশ সাহাবুদ্দিন তাদেরকে অবরুদ্ধ করে নানা অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ফেসবুক লাইভে গিয়ে নানা অপবাদ দেন। পরে পতেঙ্গা থানা পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

এ বিষয়ে সাংবাদিক শাহরুখ মুঠোফোনে সকালের চট্টগ্রামকে বলেন, স্টিলমিল বাজারে দোকানদারদের কাছ থেকে বর্তমান কাউন্সিলর ও তার সহযোগিরা চাঁদাবাজি করেন এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আমি এবং আমার ক্যামেরা পারসন সুজন দাশ সংবাদ কাভারেজ করতে আসি। এ বিষয়ে বাজারে দোকানদারদের বক্তব্য নিয়ে কাউন্সিলর আব্দুল বারেকের বক্তব্য নিতে গেলে তার সহকারী সাইফুদ্দিন প্রকাশ সাহাবুদ্দিনসহ কাউন্সিলরের কয়েকজন সহযোগী আমাদেরকে ওই অফিসে প্রায় দেড় ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। এসময় শাহাব উদ্দিন ফেসবুক লাইভে গিয়ে আমাদেরকে নানাভাবে লাঞ্চিত করেন। পরে স্থানীয় থানা পুলিশ এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে জানতে চসিক কাউন্সিলর আব্দুল বারেককের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল ধরেননি।

অপরদিকে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেনের মুঠোফোনে একধিকবার যোগাযোগের চেষ্ট করা হলে তিনিও কল ধরেননি।

তবে পতেঙ্গা থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) রবিউল হোসেন বলেন, ওসি স্যার থানার বাইরে আছেন। সাংবাদিককে অবরুদ্ধ ও লাঞ্চিত করার বিষয়টি আমি জানি না।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com