মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আনোয়ারা উপজেলায় পিস প্রকল্পের উগ্রবাদ প্রতিহতকরণে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ” বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পুলিশ কমিশনারের সাথে ডা.শাহাদাত হোসেনের সাক্ষাৎ মৎস্যজীবী লীগের স্বীকৃতি প্রদানের ২য় বর্ষপূর্তির আলোচনা সভা চসিক মেয়রের সাথে সিএমপি কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাত খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য বিএনপিই দায়ী ওমিক্রনের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধ হবে না-দীপু মনি বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগ বান্ধব দেশ: আইনমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট বিদেশে পাঠানো হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিডিয়া অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু বিটিভি চট্টগ্রামের ধারাবাহিক ‘জলতরঙ্গ’ চট্টগ্রামে গণপরিবহনে হাফ পাসের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

ইউপি ভোটে প্রতীক না রাখার চিন্তা করছে আ. লীগ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক প্রশ্নে দলের শীর্ষ নেতাদের আবারও মতামত নিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২৫ অক্টোবর আওয়ামী লীগ স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) প্রতীক নিয়ে নতুন করে মতামত গ্রহণ করেন। ওই সভায় বেশিরভাগ সদস্য ইউপি নির্বাচনে প্রতীক না রাখার ব্যাপারে পরামর্শ দেন। ২৫ অক্টোবরের মনোনয়ন বোর্ড সভায় দলের সভাপতিমণ্ডলী ও মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম তার নির্বাচনি আসন গোপালগঞ্জ-২ এ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, একজনকে মনোনয়ন দিলে অন্যজন কষ্ট পান। তাতে সংসদ সদস্য হিসাবে আমার বিব্রত হতে হয়। উন্মুক্ত রাখা হলে এই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও নৌকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারাও। এর বিরুদ্ধে কেন্দ্র থেকে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও বিদ্রোহী দমনে ব্যর্থ হচ্ছ দলটি। এই ইস্যুটি মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সামনে উপস্থাপন করেন। কয়েকজন সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে অন্তত প্রতীক না রাখতে পরামর্শ দেন।

প্রধানমন্ত্রী জানতে চান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক রাখা না রাখার সুফল ও কুফল। ২৫ অক্টোবরের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় উপস্থিত সদস্যরা সুফল ও কুফল তুলে ধরেন।

আওয়ামী লীগ সূত্রগুলো বলছে, বেশিরভাগ সদস্য বক্তব্যে নেতাদের অসুবিধার মুখোমুখি পড়তে হচ্ছে এমনটা তুলে ধরেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা বলেন, তৃণমূলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। দেশে প্রায় ৬ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এই ভোট প্রতীক বাদ দিয়ে করলে বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্ত থাকতে পারবে আওয়ামী লীগ। কোন চেয়ারম্যান প্রার্থী যোগ্য-অযোগ্য সেটা স্থানীয় জনগণই নির্বাচন করবে। এতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সংসদ সদস্যরা নির্ভার থাকতে পারবেন। এখন জেলা-উপজেলা ও সংসদ সদস্যদের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্রে করে যে বেগ পেতে হয় সেটা আর থাকবে না।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com