মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০১:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বরখাস্ত পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানার অ্যাকাউন্টে সাড়ে ২৮ কোটি টাকা পণ্য ও সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের মতবিনিময় টুঙ্গিপাড়া থেকে ২ ঘণ্টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী বন্দরে এলো নতুন ২টি গ্যান্ট্রি ক্রেন, পূর্ণতা পেল এনসিটি কর্ণফুলী বঙ্গবন্ধু টানেল: সম্ভাবনার নতুন দুয়ার মধ্যরাতে প্রবাসীদের ভীড়:পদ্মা সেতু উচ্ছ্বাসের রঙ ছড়িয়েছে যুক্তরাজ্যেও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছেন তাদের স্মরণীয় করে রাখার উদ্যোগ নিয়েছে চসিক আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী বিদেশী রাষ্ট্রের সহযোগিতা পেলে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব : দুদক মহাপরিচালক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় ইসি চেষ্টা চালিয়ে যাবে : সিইসি

সাউথ বাংলার আমজাদের ৯৩৫ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

ঢাকা: বেসরকারিখাতের সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এসএম আমজাদ হোসেন, স্ত্রী, কন্যা ও তার মালিকানাধীন লকপুর গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ৯৩৫টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো।

দেশে কার্যরত বিভিন্ন ব্যাংকের ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম শাখায় স্ত্রী সুফিয়া আমজাদ, কন্যা তাজরি আমজাদ, আমজাদ হোসেনের মালিকানাধীন লকপুর গ্রুপের সবগুলো কোম্পানি ছাড়াও আত্মীয় স্বজনের নামে এসব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে শত শত কোটি টাকা লেনদেন করেছেন এসএম আমজাদ হোসেন।

দেশের শীর্ষ কয়েকটি ব্যাংকের মতিঝিল, গুলশান, ধানমন্ডি, পল্টন ছাড়াও খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন শাখায় এসব অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে এবং লেনদেন সম্পন্ন করে অনেকগুলো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন মতে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে লকপুর গ্রপের কয়েকটি কোম্পানির অ্যাকাউন্টে লেনদেনের পরিমান হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অনেকগুলো অ্যাকাউন্ট শত শত কোটি টাকা লেনদেনের পরে ক্লোজ করে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসএম আমজাদ হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নামে বেনামে দেশে বিদেশে কোম্পানি খুলে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংকের খুলনা শাখা ও কাটাখালী শাখা থেকে আমদানি-রপ্তানি এবং ঋণের আড়ালে নানাবিধ দুর্নীতি, অনিয়ম, জালিয়াতির মাধ্যমে আমানতকারীদের বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাত-পাচার করেছেন। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআই্ইউ) তদন্ত করে অর্থ পাচারের প্রমানও পেয়েছে। এসব নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিবেদন দিয়েছে বিএফআইইউ। ঋণ জালিয়াতিসহ বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপুর্ণ সম্পদ অর্জনেরও প্রমান পেয়েছে দুদক।

অর্থ পাচার, অর্থ আত্মসাত ছাড়াও আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে বাগেরহাটে রেলওয়ের জমি দখল, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির নামে বন্ডেড সুবিধা আনা কাগজ খোলা বাজারে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ২৫০ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে লকপুর গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com