শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

চট্টগ্রাম মহানগরে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রাম মহানগর পর্যায়ে দু’দিন ব্যাপী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম আজ ৩০ জানুয়ারী ২০২১ ইংরেজি শনিবার সকাল ১০টা থেকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে। ভারতীয়/লাল মুক্তিবার্তা তালিকাভূক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নগরীর মোট ১৬৭ জনের মধ্যে প্রথম দিন ৪২ জন জীবিত মুক্তিযোদ্ধার তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়। আগামীকাল ৩১ জানুয়ারী ২০২১ ইংরেজি রোববার পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এ কার্যক্রমে মৃত, যুদ্ধাহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার ও যাচাই-বাছাই কমিটি মহানগরীর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের কার্যক্রম পরিচালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম জাকারিয়া। কমিটির সদস্য জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) মনোনীত যুদ্ধকালীন গ্রুপ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইলিয়াস, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মনোনীত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সলিম উল্লাহ, সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ শহীদুল ইসলাম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হারুন, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহাফুজুর রহমান, যুদ্ধকালীন বেইস কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক (বীর প্রতীক), মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাস ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম স্বাক্ষী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুল আবছার।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও কমিটির সদস্য সচিব এস এম জাকারিয়া জানান, যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ প্রমানের জন্য সংশ্লিষ্ট গেজেটসমূহে নাম প্রকাশিত হয়েছে এমন বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে কমপক্ষে ৩ জন ভারতীয়/লাল মুক্তিবার্তা তালিকাভূক্ত সহযোদ্ধাসহ প্রশিক্ষণার্থী ও সাক্ষীসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে হচ্ছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে কেউ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকলে তিনি কোন্ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, তাও ৩ জন ভারতীয়/লাল মুক্তিবার্তা তালিকাভূক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার মাধ্যমে প্রমাণ করতে হচ্ছে। অন্যথায় তারা অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য হবে।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০০২ এর ৭(ঝ) ধারা অনুযায়ী “প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন” পূর্বক সরকারের নিকট সুপারিশ করার এখতিয়ার এ কাউন্সিলের উপর ন্যস্ত রয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)-এর ৭১তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উক্ত আইনের ধারা ৭(ঝ) ব্যত্যয় ঘটিয়ে জামুকার অনুমোদন ব্যতীত যেসব বেসামরিক গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশের অংশ হিসেবে সেসব বেসামরিক গেজেট যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাইয়ের আওতাধীন গেজেটসমূহের একটি তালিকা সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com