বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মমতার আয়োজনে ৩দিন ব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলা রোহিঙ্গাদের যেতেই হবে : ভোয়া’র সাথে সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্রুত এফটিএ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ : অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রনেতা থেকে আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী বিএনপি লাঠির সঙ্গে পতাকা বেধে রাস্তায় নামলে জবাব দেওয়া হবে : ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপিত ঋনখেলাপি ব্যবসায়ীসহ স্ত্রীর দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বঙ্গবন্ধু কন্যা আছেন বলেই নিরাপদে ঘুমায় বাংলাদেশ-ইমরান আহাম্মেদ ইমু ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন কভিড থেকে নিরাপদ থাকুন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ : ৮ ব্যক্তিকে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা

বৌদ্ধিক নেতৃত্ব নিশ্চিহ্নের চেষ্টায় বুদ্ধিজীবী হত্যা: ইডিইউ উপাচার্য সিকান্দার

শ্রদ্ধাবনতচিত্তে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করেছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (ইডিইউ)। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় ইডিইউ শহীদ মিনারে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাক-হানাদার বাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের শিকার বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি পরিবারের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক মু. সিকান্দার খান। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি দেশ বা জাতিকে উন্নত করে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা। এ চর্চায় নেতৃত্ব দেন বুদ্ধিজীবীরাই। মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চেয়েছিলো যুদ্ধশেষেও যাতে বাঙালি জাতি আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে। এ ঘৃণ্য উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে বাঙালির বৌদ্ধিক নেতৃত্ব নিশ্চিহ্ন করতে তারা রাতের আঁধারে হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। ধর্মীয় মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে না পারলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের মূল উৎকর্ষই আমরা অর্জন করতে পারবো না।
রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়ার সঞ্চালনায় ও স্কুল অব বিজনেসের সহযোগী অধ্যাপক রাশেদ আল করিমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান আলোচক ছিলেন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাহ আহমেদ রিপন। তিনি বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের ষড়যন্ত্রে যে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ঘটেছিলো তার রেশ আমরা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছি। বিশ্বজুড়ে এখনো বুদ্ধিজীবীদের কলমকে দাবিয়ে রাখা হয়, মুক্তচিন্তাকে স্থবির করে দেয়ার অপচেষ্টা হয়। চিন্তার ধারাকে বাধাগ্রস্থ করা বুদ্ধিজীবী হত্যার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রক্টর অনন্যা নন্দী ও ইসতিয়াক আজিজ জাহেদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী রেজিস্ট্রার ফারহানা আহমদ সিগমা, সহকারী লাইব্রেরিয়ান তাহমিনা আফ্রাদ প্রমুখ।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com