বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০২:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
চুয়েটে আজ উদ্বোধন হচ্ছে দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর আজ অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ-এর জন্মশতবার্ষিকী বিএনপি’র আন্দোলনের হুমকি নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই: ওবায়দুল কাদের চামড়ার মূল্য নির্ধারণ সব কারাগার ও থানায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করতে হাইকোর্টের রায় মক্কা নগরীতে হজ্জ মেডিকেল সেন্টার পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সময়োপযোগী পরিবর্তনকে ধারণ করে পোশাক মালিকরা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে অবদান রাখবে : স্পিকার অধিক ফসল উৎপাদন করার ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ৭ জুলাই

ধসে পড়েছে রিং রোডের ওয়াকওয়ে

বন্দরনগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণাধীন প্রকল্প আউটার রিং রোডের পাশে ওয়াকওয়ের স্ল্যাব ধসে পড়েছে। শুক্রবার (১২ জুলাই রাতের কোনো এক সময় রোডের পতেঙ্গা অংশে বেশ কিছু স্থানে এসব স্ল্যাব ধসের ঘটনা ঘটে।

গেলো কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ওসাগরে পানি বেড়ে যাওয়ায় ঢেউয়ের কারণে ব্লক সরে বিশাল অংশ দেবে গেছে বলে ধারণা করছেন প্রকল্প সংশিলষ্টরা এতে ওয়াকওয়ের ওই অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোন সময় ওয়াকওয়েটির বিশাল অংশ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ব্যাপারে আউটারে রিং রোডের প্রকল্প পরিচালক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শাম বলেন, উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে বাঁধের সুরক্ষায় দেয়া ব্লক সরে গেলে সাগরের পানি ঢুকে ওয়াক ওয়ের নিচের মাটি সরিয়ে দেয়ার ফলে স্ল্যাবগুলো ধসে যায়। ধসে পড়া স্থানগুলো পুন:নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে স্থনীয়রা অভিযোগ করেছেন, রিটেইনিং ওয়াল না দেয়া, সাগরের বালি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ, ও রড ছাড়াই শুধু সিসি ঢালাই দিয়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করায় তা ধসে পড়েছে। এতে করে প্রশ্ন ‍উঠেছে প্রকল্পের নির্মাণ প্রকৌশল ও কাজে মান নিয়ে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের জুলাইয়ে চার লেনের আউটার রিং রোড নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আড়াই হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তাবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

চলতি বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালেই প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। উপকূলীয় বাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণ নামে এই প্রকল্পের আওতায় ১৭ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ হবে। এর মধ্যে ১৫ দশমিক বিশ কিলোমিটার মূল ও ২ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক।

শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ৮৬৫ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা ধরা হলেও দুই বার সংশোধনের পর বর্তমানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ৭২০ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার ও জাইকার সহায়তা ৭০৬ কোটি টাকা।

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com