মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ১২:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বরখাস্ত পুলিশ পরিদর্শক সোহেল রানার অ্যাকাউন্টে সাড়ে ২৮ কোটি টাকা পণ্য ও সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের মতবিনিময় টুঙ্গিপাড়া থেকে ২ ঘণ্টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী বন্দরে এলো নতুন ২টি গ্যান্ট্রি ক্রেন, পূর্ণতা পেল এনসিটি কর্ণফুলী বঙ্গবন্ধু টানেল: সম্ভাবনার নতুন দুয়ার মধ্যরাতে প্রবাসীদের ভীড়:পদ্মা সেতু উচ্ছ্বাসের রঙ ছড়িয়েছে যুক্তরাজ্যেও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছেন তাদের স্মরণীয় করে রাখার উদ্যোগ নিয়েছে চসিক আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী বিদেশী রাষ্ট্রের সহযোগিতা পেলে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব : দুদক মহাপরিচালক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় ইসি চেষ্টা চালিয়ে যাবে : সিইসি

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্টের সাথে ইসরাইলও যোগ দিচ্ছে!

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধে সম্পৃক্ত হতে সামরিক প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসরাইল। এদিকে তেহরানের বিরুদ্ধে পরমাণু চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এতে স্বাক্ষরকারী ইউরোপীয় দেশগুলো। তারা দেশ দু’টিকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়ে তাদের মুখোমুখি অবস্থান থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

ইসরাইল ইরান হামলার চেষ্টা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশিষ্ট বিশ্বের ভূমিকা কি হবে? ২০০২ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার হাউজ অব কমন্সে বলেছিলেন, সাদ্দাম হোসেন সরকার ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করছে। আমরা তাকে বিনা চ্যালেঞ্জে এটা করতে দিতে পারি না। এক বছর পর ব্লেয়ার মার্কিন নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশনের সাথে যোগ দেন। এ কোয়ালিশন ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। অথচ পরবর্তীতে তন্ন তন্ন করে দেখেও ইরাকের তথাকথিত ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ অজুহাতে ইরাকে হামলা চালান হয়। সে হামলায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে সমৃদ্ধ ইরাক। লাখ লাখ নিরীহ ইরাকী নিহত হয় পরিশ্চমা হামলায়।

এবার একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে ইরানে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রভাবশালী বৃটিশ সংবাদপত্র ইন্ডিপেডেন্ট ‘‘ইরান ও ইসরাইলের যুদ্ধের দামামা’’ শীর্ষক খবর করে এবিসি নিউজ উল্লেখ করে যে পারমাণবিক উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে ইরান ইসরাইল যুদ্ধের শংকা বাড়ছে। তবে এটা ঠিক এ সকল সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। ইরান বলেছে, আক্রান্ত হলে প্রতিশোধ নেয়া হবে। এক্ষেত্রে ইসরাইলই উদ্যোক্তার ভূমিকা নিতে পারে। তবে ঘটনা হচ্ছে, এ সম্ভাব্য যুদ্ধ হওয়া ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ নয়। ইসরাইলকে সাহায্য করছে পশ্চিমা দুনিয়া। তারা অর্থনৈতিকভাবে ইরানকে পঙ্গু করে এবং রাজনৈতিকভাবে নিসঙ্গ করার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

ইতিমধ্যে পশ্চিমা দুনিয়ার —-মিডিয়া এ ধরনের প্রচার করে চলেছে যা ইরান ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি স্বরূপ। ইরানী নেতৃত্ব ও সাহসের সাথে এসকল হুমকির জবাব দিচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমস-এর শিরোনাম ‘‘পশ্চিমারা বলছে, ইরানে জাতিসংঘ পারমাণবিক পর্যবেক্ষকদের ব্যর্থ সফর।’’ রিপোর্টটি ইরানের বিরুদ্ধে বস্তুত দেয়া হয়েছে। ইন্ডিপেনডেন্টে প্রকাশিত রিপোর্টের মাধ্যমে মিডিয়া সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। রিপোর্টে বলা হয়, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা বিশ্বাস করেন, ইসরাইল গ্রীষ্মের আগেই ইরানের পারমাণবিক লক্ষ্যসমূহে হামলা করতে পারে। প্যানেটার বক্তব্য মতে ইসরাইল এপ্রিলের দিকে ইরান হামলা চালাতে পারে।

ইরানের প্রেস টিভি ওয়েবসাইটে বলা হয়, ইরানের বক্তব্য হচ্ছে, নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির স্বাক্ষরদাতা এবং আইএইএ’র সদস্য হওয়ায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার করার অধিকার অবশ্যই  তার রয়েছে। ইসরাইল হামাসের মত একটি সংগঠনকেও তার অস্তিত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ মনে করে এবং তাকে ঘায়েল করতে হামলা চালায়। সেখানে ইরান তা একটি মক্তিশালী দেশ। তাকে হেনস্তা করার কোন চেষ্টাই সে বাদ দেবে না। ইরাক যুদ্ধের সাথে ইরান প্রসঙ্গটি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কারণ ইরান অন্যতম প্রধান আঞ্চলিক শক্তি। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ ইরান। ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ বাধলে উভয় পক্ষকেই যথেষ্ট মূল্য দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থল অভিযান সম্ভব নয়। আরব নিউজ

খবরটি অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved dainikshokalerchattogram.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com